, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬, ২৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ভাঙ্গা উপজেলায় ‘সস্তা বাজার’-এর মুখোশের আড়ালে অবৈধ শিল্প বাণিজ্য মেলা ? প্রথমবারের মতো গুলশান কার্যালয়ে তারেক রহমান গেন্ডারিয়া: দিনে কোটি টাকার ইয়াবা, আতঙ্কে জনপদ—নীরব আইন ? রাজধানীর বুকে আইন অন্ধ: যাত্রাবাড়ীর কাজলা স্কুল গলিতে রাতভর ‘আন্ধার বাহার’ ক্যাসিনো, নীরব থানা ! ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এনআইডি পাচ্ছেন তারেক রহমান শাহবাগ মোড়ে ফিরেছেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা ঢাকা-১৭ আসনে ভোটার হচ্ছেন তারেক রহমান ওসমান হাদী হত্যার ছক তদন্ত রিপোর্টে বেরিয়ে এল ভারতের নাম রোববার কমিশনে উঠছে তারেক রহমান ও জাইমার ভোটার হওয়ার নথি : ইসি সচিব শহীদ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

ওসমান হাদী হত্যার ছক তদন্ত রিপোর্টে বেরিয়ে এল ভারতের নাম

  • প্রকাশের সময় : ০৫:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২৮ পড়া হয়েছে

 

অনলাইন ডেস্ক

 

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা–৮ আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আগ্রহী শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা ভারতে বসেই করা হয়েছে বলে তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, দীর্ঘ ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ডের ছক কষা হয় এবং এতে দেশে ও বিদেশে অবস্থানরত একাধিক ব্যক্তি জড়িত ছিল।

 

 

হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রধান সন্দেহভাজন শুটার ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদের বিদেশ যাতায়াত ও যোগাযোগের তথ্য বিশ্লেষণ করে তদন্তকারীরা ধারণা করছেন, ভারতে অবস্থানরত কয়েকজন পলাতক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এই পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

 

 

পরে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সিঙ্গাপুর ও মাল

তদন্ত সূত্র আরও জানান, গত ২১ জুলাই ফয়সাল সিঙ্গাপুরে যান এবং ২৬ জুলাই দেশে ফেরেন। এই সময়ের মধ্যেই হত্যাকাণ্ডের চূড়ান্ত ছক নির্ধারিত হয়। বিদেশে অবস্থানকালে তিনি নিজেকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উদ্যোক্তা পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন বৈঠকে অংশ নেন। এসব বৈঠকে হত্যার অর্থায়ন, পালানোর পথ ও বাস্তবায়ন কৌশল নিয়ে আলোচনা হয় বলে ধারণা করছেন তদন্ত কর্মকর্তারা।

 

ফয়সালের স্ত্রী শাহেদা পারভীন ও প্রেমিকা মারিয়া আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের আগেই ফয়সাল তাদের ইঙ্গিত দিয়েছিল যে সামনে এমন ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে, যার পর দেশে থাকা তার জন্য নিরাপদ নাও হতে পারে। একটি ব্যাংক হিসাবে বিপুল অর্থ থাকার কথাও সে উল্লেখ করেছিল।

 

তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, ১২ ডিসেম্বর হত্যার আগের রাতে ফয়সাল ও তার সহযোগীরা সাভারের একটি কটেজে অবস্থান করেন। পরদিন পরিকল্পনা অনুযায়ী শরীফ ওসমান বিন হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

 

 

হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত, পলাতকদের অবস্থান নিশ্চিত এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগের সূত্রগুলো খতিয়ে দেখতে তদন্ত কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

ভাঙ্গা উপজেলায় ‘সস্তা বাজার’-এর মুখোশের আড়ালে অবৈধ শিল্প বাণিজ্য মেলা ?

ওসমান হাদী হত্যার ছক তদন্ত রিপোর্টে বেরিয়ে এল ভারতের নাম

প্রকাশের সময় : ০৫:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

 

অনলাইন ডেস্ক

 

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা–৮ আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আগ্রহী শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা ভারতে বসেই করা হয়েছে বলে তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, দীর্ঘ ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ডের ছক কষা হয় এবং এতে দেশে ও বিদেশে অবস্থানরত একাধিক ব্যক্তি জড়িত ছিল।

 

 

হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রধান সন্দেহভাজন শুটার ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদের বিদেশ যাতায়াত ও যোগাযোগের তথ্য বিশ্লেষণ করে তদন্তকারীরা ধারণা করছেন, ভারতে অবস্থানরত কয়েকজন পলাতক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এই পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

 

 

পরে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সিঙ্গাপুর ও মাল

তদন্ত সূত্র আরও জানান, গত ২১ জুলাই ফয়সাল সিঙ্গাপুরে যান এবং ২৬ জুলাই দেশে ফেরেন। এই সময়ের মধ্যেই হত্যাকাণ্ডের চূড়ান্ত ছক নির্ধারিত হয়। বিদেশে অবস্থানকালে তিনি নিজেকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উদ্যোক্তা পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন বৈঠকে অংশ নেন। এসব বৈঠকে হত্যার অর্থায়ন, পালানোর পথ ও বাস্তবায়ন কৌশল নিয়ে আলোচনা হয় বলে ধারণা করছেন তদন্ত কর্মকর্তারা।

 

ফয়সালের স্ত্রী শাহেদা পারভীন ও প্রেমিকা মারিয়া আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের আগেই ফয়সাল তাদের ইঙ্গিত দিয়েছিল যে সামনে এমন ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে, যার পর দেশে থাকা তার জন্য নিরাপদ নাও হতে পারে। একটি ব্যাংক হিসাবে বিপুল অর্থ থাকার কথাও সে উল্লেখ করেছিল।

 

তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, ১২ ডিসেম্বর হত্যার আগের রাতে ফয়সাল ও তার সহযোগীরা সাভারের একটি কটেজে অবস্থান করেন। পরদিন পরিকল্পনা অনুযায়ী শরীফ ওসমান বিন হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

 

 

হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত, পলাতকদের অবস্থান নিশ্চিত এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগের সূত্রগুলো খতিয়ে দেখতে তদন্ত কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।