, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
পল্টনের অভিজাত হোটেলে প্রকাশ্য ক্যাসিনো: আজম সিন্ডিকেটের দখলে ক্যাপিটাল–ভিক্টোরিয়া, নীরব আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ভাঙ্গা উপজেলায় ‘সস্তা বাজার’-এর মুখোশের আড়ালে অবৈধ শিল্প বাণিজ্য মেলা ? প্রথমবারের মতো গুলশান কার্যালয়ে তারেক রহমান গেন্ডারিয়া: দিনে কোটি টাকার ইয়াবা, আতঙ্কে জনপদ—নীরব আইন ? রাজধানীর বুকে আইন অন্ধ: যাত্রাবাড়ীর কাজলা স্কুল গলিতে রাতভর ‘আন্ধার বাহার’ ক্যাসিনো, নীরব থানা ! ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এনআইডি পাচ্ছেন তারেক রহমান শাহবাগ মোড়ে ফিরেছেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা ঢাকা-১৭ আসনে ভোটার হচ্ছেন তারেক রহমান ওসমান হাদী হত্যার ছক তদন্ত রিপোর্টে বেরিয়ে এল ভারতের নাম রোববার কমিশনে উঠছে তারেক রহমান ও জাইমার ভোটার হওয়ার নথি : ইসি সচিব

পল্টনের অভিজাত হোটেলে প্রকাশ্য ক্যাসিনো: আজম সিন্ডিকেটের দখলে ক্যাপিটাল–ভিক্টোরিয়া, নীরব আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

  • প্রকাশের সময় : ১২:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬২ পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের ঢাকঢোল পেটানো হলেও রাজধানীর প্রাণকেন্দ্র পল্টন থানা এলাকার হোটেল ক্যাপিটাল ও হোটেল ভিক্টোরিয়াতে দিব্যি চলছে নিষিদ্ধ ‘আন্ডার বাহার’ ক্যাসিনো জুয়া। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, আলোচিত আজম সিন্ডিকেটের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণেই দিনের পর দিন এই অবৈধ জুয়ার আসর বসছে—যেন আইন এখানে অচল।

সূত্র জানায়, প্রতিদিন সন্ধ্যার পর হোটেল দুটির নির্দিষ্ট ফ্লোর ও কক্ষে শুরু হয় জুয়ার রমরমা আসর। বাইরে সাধারণ অতিথির আড়ালে ভেতরে চলে কোটি টাকার লেনদেন। প্রবেশের ক্ষেত্রে রয়েছে কঠোর বাছাই, নিজস্ব পাহারাদার, সিসিটিভি ও আগাম সতর্ক সংকেত ব্যবস্থা—আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গতিবিধি আঁচ করলেই মুহূর্তে বন্ধ হয়ে যায় খেলা।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিষয়টি পল্টন থানা প্রশাসনের অজানা নয়। একাধিকবার মৌখিক ও লিখিতভাবে জানানো হলেও কার্যকর অভিযান বা স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে প্রশ্ন উঠছে—এই অবৈধ ক্যাসিনো কার ছত্রছায়ায় এতটা বেপরোয়া?

আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রকাশ্যে এমন ক্যাসিনো কার্যক্রম শুধু ফৌজদারি অপরাধ নয়, বরং আইনশাসনের প্রতি সরাসরি চ্যালেঞ্জ। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় দিনের পর দিন এভাবে জুয়া চলতে থাকা প্রশাসনিক ব্যর্থতা নাকি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের সুরক্ষা—তা খতিয়ে দেখা জরুরি।

সচেতন মহলের দাবি, অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত, হোটেল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা যাচাই এবং আজম সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় না আনলে এই অবৈধ জুয়ার নেটওয়ার্ক আরও বিস্তৃত হবে, যার সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব হবে ভয়াবহ।

জনপ্রিয়

পল্টনের অভিজাত হোটেলে প্রকাশ্য ক্যাসিনো: আজম সিন্ডিকেটের দখলে ক্যাপিটাল–ভিক্টোরিয়া, নীরব আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

পল্টনের অভিজাত হোটেলে প্রকাশ্য ক্যাসিনো: আজম সিন্ডিকেটের দখলে ক্যাপিটাল–ভিক্টোরিয়া, নীরব আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

প্রকাশের সময় : ১২:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক

ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের ঢাকঢোল পেটানো হলেও রাজধানীর প্রাণকেন্দ্র পল্টন থানা এলাকার হোটেল ক্যাপিটাল ও হোটেল ভিক্টোরিয়াতে দিব্যি চলছে নিষিদ্ধ ‘আন্ডার বাহার’ ক্যাসিনো জুয়া। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, আলোচিত আজম সিন্ডিকেটের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণেই দিনের পর দিন এই অবৈধ জুয়ার আসর বসছে—যেন আইন এখানে অচল।

সূত্র জানায়, প্রতিদিন সন্ধ্যার পর হোটেল দুটির নির্দিষ্ট ফ্লোর ও কক্ষে শুরু হয় জুয়ার রমরমা আসর। বাইরে সাধারণ অতিথির আড়ালে ভেতরে চলে কোটি টাকার লেনদেন। প্রবেশের ক্ষেত্রে রয়েছে কঠোর বাছাই, নিজস্ব পাহারাদার, সিসিটিভি ও আগাম সতর্ক সংকেত ব্যবস্থা—আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গতিবিধি আঁচ করলেই মুহূর্তে বন্ধ হয়ে যায় খেলা।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিষয়টি পল্টন থানা প্রশাসনের অজানা নয়। একাধিকবার মৌখিক ও লিখিতভাবে জানানো হলেও কার্যকর অভিযান বা স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে প্রশ্ন উঠছে—এই অবৈধ ক্যাসিনো কার ছত্রছায়ায় এতটা বেপরোয়া?

আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রকাশ্যে এমন ক্যাসিনো কার্যক্রম শুধু ফৌজদারি অপরাধ নয়, বরং আইনশাসনের প্রতি সরাসরি চ্যালেঞ্জ। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় দিনের পর দিন এভাবে জুয়া চলতে থাকা প্রশাসনিক ব্যর্থতা নাকি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের সুরক্ষা—তা খতিয়ে দেখা জরুরি।

সচেতন মহলের দাবি, অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত, হোটেল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা যাচাই এবং আজম সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় না আনলে এই অবৈধ জুয়ার নেটওয়ার্ক আরও বিস্তৃত হবে, যার সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব হবে ভয়াবহ।